| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
প্রতারক আসাদের কান্ড / কুষ্টিয়ার সহজ সরল মানুষ কে বোকা বানিয়ে চেক হাতিয়ে নিয়ে এখন মামলা করে টাকা আদায়ের অভিযোগ

প্রতারক আসাদের কান্ড / কুষ্টিয়ার সহজ সরল মানুষ কে বোকা বানিয়ে চেক হাতিয়ে নিয়ে এখন মামলা করে টাকা আদায়ের অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার জুগিয়া পালপাড়ার চিহ্নিত প্রতারক আসাদুল ইসলাম আসাদের পাতানো ফাঁদে পড়ে এখন চরম আতঙ্কিত ওই এলাকার সাধারন মানুষ। সে পোল্টি ফিডের ব্যবসায় বাকি মালামাল দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৮০ জনের কাছ থেকে ব্ল্যাংক চেক হাতিয়ে নিয়ে প্রতারনার ফাঁদ পাতে। সে ওই এলাকার মৃত খবির উদ্দিন’র পুত্র।
সূত্র জানায়, আসাদুল ইসলাম (আসাদ) পুষ্পো পোল্ট্রি ফিড নামের একটি কোম্পানীর ডিলার নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। সে সর্বসাধারন কে বিভিন্ন প্রকার মালামালের ব্যবসার কথা বলে এবং বাঁকিতে ব্যবসা করবে বলে ওই এলাকার প্রায় ১৮০ জনের কাছ থেকে ব্যাংকের চেক নিয়ে নেন। এরপরই ওই প্রতারন জনগনের কাছ থেকে নেওয়া ব্যাংক চেক নিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেছেন, ওই প্রতারক এখন পালাতক থেকেই সাধারন মানুষের কাছ থেকে নেওয়া ব্যাংকের চেকে এখন ইচ্ছে মত টাকার পরিমান বসিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে। প্রথমে হুমকি দিয়েছে টাকা পরিশোধ করার জন্য। টাকা না পেয়ে এখন আদালতে মামলা দিয়ে হয়রানী শুরু করেছে।
ভুক্তভোগী হাসিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসাদুল ইসলাম আসাদ একজন দূর্ধষ প্রতারক। তার অফিসে সব সময় ২ রাজিব ওরফে জিম এবং আরিফুল ইসলাম নামে দুজন বডি গার্ড রয়েছে। সার্বক্ষনিক তারা ওই এলাকা নিয়ন্ত্রন করছে। এবং মামলা পরিচালনা করছে। এতে করে বিভিন্ন পরিবার এখন প্রায় মৃত্যুর সাথে লড়াই করার মত বেঁচে আছেন। অনেকেই প্রতারণার মামলায় পালিয়ে বেড়াছেন।
স্থানীয়দের দাবী, সাধারন মানুষকে মিথ্যা প্রলোভন আর ধোঁকায় ফেলে অসহায় মানুষের কাছ থেকে ব্যাংকের চেক নিয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই মামলাগুলো বাতিল করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাধারণ খেটে খাওয়া সাধারন মানুষগুলো।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024